চম্পা হাউজ — ‘কে চম্পা’?
চিত্রনাট্য ও পরিচালনা— ভিকি জাহেদ
গল্প — নাজিম উদ দৌলা
।। রেটিং— ভালো ।।
১৯৭০ সালের ছবির নায়িকাদের ট্রিবিউট করার ব্যাপারটা বেশ ইন্টারেস্টিং। গল্পের মধ্যে সেসময়ের মেয়ে চম্পা বাংলা ছবির নায়িকা হতে চেয়েছিল। কিন্তু তাকে নায়িকা বানানোর নাম করে কিছু অসাধু লোক তার সুযোগ নিয়ে একদম নিঃশেষ করে দিয়েছে। তাই সে সুইসাইড করেছিল। সেসময় থেকেই সে এই বাড়িতে রয়ে গেছে ভূত বা প্রেতাত্মা হয়ে। তার কাজ এখন বাড়িতে বসবাসরত লোকদের ভয় দেখানো। কিন্তু আসলেই কি প্রেতাত্মা সে?
থ্রিলার লেখক নাজিম উদ দৌলার গল্প। তার সব গল্পের মধ্যে থাকে চেনা ছকে ইম্প্রেসিভ টুইস্ট। চম্পা হাউজের বর্তমান মালিক ভূতের ভয়ে তটস্থ। তার পরিবার সারাক্ষণ ভয়ের মধ্যে অবস্থান করছে। এমন সময় মাঝবয়েসী ছেলেটা রাশেদ। সাইকিয়াট্রিস্ট হয়ে আসে সে। সে বিভিন্ন সাইন্স দিয়ে ভূত দূর করার কাজ করে। কিন্তু তাতে মোটেও সুবিধা হয় না। চম্পা বেশ শক্তিশালী প্রেতাত্মা। কিন্তু খুবই কনফিডেন্টলি ভূত সে দূর করতে পারবে৷ গল্পের এ জায়গায় বর্তমান সময়ের একটা ক্রাইসিস দেখানো হয়, কিন্তু ক্রাইসিসটা কি আসলেই সত্যি? বাকিটা জানতে হলে আপনাকে দেখতে হবে পুরো ‘চম্পা হাউজ’ নাটকটা।
গল্পের মধ্যে প্রোটাগনিস্ট চরিত্র হিসেবে মেহজাবিন দারুণ অভিনয় করেছেন। পুরনো দিনের নায়িকাদের সাজ। ভয় দেখানোর মত লুক। আর সেই সঙ্গে তার অশরীরীর অভিনয় বেশ চমৎকার করে ফুটিয়ে তুলেছেন। আফরান নিশোর চরিত্রটা ইন্টারেস্টিং। তবে প্রথম থেকেই তার কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক ছিল। তার অভিনয়ের জায়গায়। চরিত্রটা বেশ প্রেডিক্টেবল হয়ে উঠেছিল। তার অভিনয়ও চোখে পড়ার মত। মাসুম আজিজ, হাসনাত রিপন মানানসই তাদের চরিত্রে।
নাটকের গল্পে এমন পারফরম্যান্স দেখা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতোটুকুর মধ্যেই হরর ফিল পাওয়ানোর জন্যে নির্মাতা ভিকি জাহেদ প্রশংসা পাবেন নিশ্চয়ই।
রেকমেন্ড থাকলো।
দেখেনিন এখনি সরাসরি অথবা ডাউনলোড করুুন
Download Link Below :
COPYRIGHT: If you believe that any content on this site infringes your copyright,please send a takedown notice using a verifiable email address to: [email protected]We will review your request and respond promptly, typically within 2 business days, to address and remove any infringing content